বন্ধুরা,
'Nabiul EduSpace'-এ তোমাদের সবাইকে অনেক ভালোবাসা। আজ আমরা তোমাদের চতুর্থ শ্রেণির বাংলা পাতাবাহার বইয়ের খুব সুন্দর ও হাসির একটি গল্প ‘নরহরি দাস’ নিয়ে আলোচনা করব। উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর লেখা এই গল্পে কীভাবে একটি ছোট্ট ছাগলছানা তার বুদ্ধির জোরে বাঘ আর শিয়ালকে ভয় পাইয়ে দিয়েছিল, তা আমরা জেনেছি। তোমরা যারা স্কুলের পরীক্ষার জন্য এই গল্পের অনুশীলনীর উত্তর খুঁজছো, তাদের জন্য আজকের এই পোস্টটি সাজানো হয়েছে। এখানে আমরা Class 4 Bengali Narahari Das Question Answer বা সম্পূর্ণ হাতে-কলমে অংশের সমাধান খুব সহজ ভাষায় লিখে দিয়েছি। ২০২৬ সালের পরীক্ষার জন্য প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর নির্ভুলভাবে দেওয়া হয়েছে। তোমরা এখান থেকে উত্তরগুলো চটপট খাতায় লিখে নাও, দেখবে পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পাবে। চলো, এবার প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু করা যাক।
'নরহরি দাস' – প্রশ্ন-উত্তর সমাধান
সুপ্রিয় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা, আজ আমরা তোমাদের বাংলা বইয়ের 'নরহরি দাস' গল্পের অনুশীলনীর সমস্ত প্রশ্নের উত্তর সমাধান করব। তোমরা খাতা ও পেন নিয়ে তৈরি হয়ে নাও।
১. উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর লেখা তোমার প্রিয় একটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর লেখা আমার প্রিয় বইয়ের নাম ‘টুনটুনির বই’।
২. তাঁর লেখা গল্প অবলম্বনে তৈরি কোন সিনেমা তুমি দেখেছ?
উত্তর: তাঁর লেখা ‘গুপী গাইন ও বাঘা বাইন’ গল্প অবলম্বনে সত্যজিৎ রায়ের তৈরি সিনেমাটি আমি টিভিতে দেখেছি।
৩. একটি বাক্যে উত্তর দাও:
৩.১ ‘হ্যাঁগা, তুমি কী খাও?’— ছাগলছানা ষাঁড়কে কী ভেবে এমন প্রশ্ন করেছিল?
উত্তর: ছাগলছানাটি ষাঁড়কে দেখে মনে করেছিল সেও বুঝি তারই মতো কোনো বড় ছাগল, তাই সে এমন প্রশ্ন করেছিল।
৩.২ গল্পে বাঘ হলো শিয়ালের মামা, আর ‘নরহরি দাস’ নিজেকে কার মামা দাবি করল?
উত্তর: গল্পে ‘নরহরি দাস’ (ছাগলছানা) নিজেকে সিংহের মামা বলে দাবি করল।
৩.৩ ছাগলছানা ষাঁড়ের সঙ্গে কেন বনে গিয়েছিল?
উত্তর: বনের ভিতর খুব চমৎকার ঘাস আছে শুনে সেই ঘাস খাওয়ার লোভে ছাগলছানা ষাঁড়ের সঙ্গে বনে গিয়েছিল।
৩.৪ ছাগলছানা সেদিন রাতে কেন বাড়ি ফিরতে পারেনি?
উত্তর: বনের মধ্যে প্রচুর ঘাস খেয়ে ছাগলছানার পেট এতটাই ভারী হয়ে গিয়েছিল যে সে আর চলতে পারছিল না, তাই সেদিন রাতে সে বাড়ি ফিরতে পারেনি।
৩.৫ অন্ধকারে শিয়াল ছাগলছানাকে কী মনে করেছিল?
উত্তর: অন্ধকারে শিয়াল ছাগলছানাকে ‘রাক্ষস-টাক্ষস’ জাতীয় কোনো ভয়ংকর জীব মনে করেছিল।
৩.৬ বাঘ শিয়ালকে ফিরতে দেখে আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিল কেন?
উত্তর: শিয়াল বাঘের বাড়ি নিমন্ত্রণ খেতে গিয়ে লেজ গুটিয়ে এমনভাবে ছুটে পালিয়ে আসছিল যা দেখে বাঘ আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিল।
৩.৭ শিয়াল কোন গর্তে বাঘের সঙ্গে ফিরতে চেয়েছিল?
উত্তর: শিয়াল তার নিজের গর্তেই (যেখানে ছাগলছানাটি লুকিয়ে ছিল) বাঘের সঙ্গে ফিরতে চেয়েছিল।
৩.৮ ছাগলের বুদ্ধির কাছে বাঘ কীভাবে হার মানল?
উত্তর: ছাগলছানাটি বাঘকে দেখে বলেছিল যে সে শিয়ালকে পঞ্চাশটা বাঘ আনতে বলেছিল, কিন্তু শিয়াল মাত্র একটা বাঘ (লেজে বেঁধে) নিয়ে এসেছে। এই কথা শুনে বাঘ ভয়ে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে গেল এবং হার মানল।
৪. নীচের এলোমেলো বর্ণগুলি সাজিয়ে শব্দ তৈরি করো:
- য়া ন ভ ক = ভয়ানক
- শ র্ব স না = সর্বনাশ
- ত রা ড়া তা = তাড়াতাড়ি
- র ন্ধ অ কা = অন্ধকার
- ম ণ নি ন্ত = নিমন্ত্রণ
- না গ ল ছা ছা = ছাগলছানা
৫. নিজের ভাষায় বাক্য সম্পূর্ণ করো:
৫.১ যেখানে মাঠের পাশে বন আছে সেখানেই একটা গর্তে ছাগলছানা থাকত।
৫.২ সেই বনের ভিতরে খুব চমৎকার ঘাস ছিল।
৫.৩ ছাগলছানাটা ভারী বুদ্ধিমান ছিল।
৫.৪ বাঘ শিয়ালকে লেজের সঙ্গে বেশ করে বেঁধে নিল।
৫.৫ বাঘ ভাবে শিয়াল বুঝি তাকে ফাঁকি দিয়ে নরহরি দাসকে খেতে দেওয়ার জন্য এনেছে।
৬. একই অর্থের শব্দ পাশের শব্দঝুড়ি থেকে খুঁজে নিয়ে পাশাপাশি লেখো:
(শব্দঝুড়ি: অবাক, ঘাস, আজ, শাস্তি, জঙ্গল)
- বন = জঙ্গল
- ছাগল = অজ (বইয়ের শব্দঝুড়িতে 'আজ' আছে, কিন্তু সঠিক শব্দ 'অজ' হবে)
- আশ্চর্য = অবাক
- সাজা = শাস্তি
- তৃণ = ঘাস
৭. বর্ণ বিশ্লেষণ করে নীচের ফাঁকা ঘরগুলি ভর্তি করো:
(এখানে বর্ণগুলো ভেঙে দেখানো হলো)
- পাহাড় = প + আ + হ + আ + ড় + অ
- মস্ত = ম + অ + স + ত + অ
- সন্দেহ = স + অ + ন + দ + এ + হ + অ
- অন্ধকার = অ + ন + ধ + অ + ক + আ + র + অ
- জঙ্গল = জ + অ + ঙ + গ + অ + ল + অ
- আশ্চর্য = আ + শ + চ + অ + র + য + অ
- ব্যস্ত = ব + য + অ + স + ত + অ
- নিশ্বাস = ন + ই + শ + ব + আ + স + অ
৮. নীচের কথাগুলির মধ্যে কোনটি ঠিক কোনটি ভুল তা চিহ্নিত করো:
- মাঠের পাশেই বন = (✓)
- ষাঁড় কি হয় = (x) (বাক্যটি অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য)
- নরহরি দাস এসে = (✓) (গল্পে কাল্পনিক নরহরি দাসের আগমন ঘটে)
- আমি সেখানে গেলে = (✓) (গল্পের সংলাপ অনুযায়ী)
- ছাগলছানা বাড়ি ফিরে এল = (✓)
৯. এলোমেলো শব্দগুলিকে সাজিয়ে বাক্য তৈরি করো:
৯.১ গর্তের থাকতো একটা ভিতরে ছাগলছানা -> গর্তের ভিতরে একটা ছাগলছানা থাকতো।
৯.২ কড়ি বাঘের দশ দিলুম তোকে -> তোকে দশ বাঘের কড়ি দিলুম।
৯.৩ কিছুতেই আর গেল রাগ সে না -> সে রাগ আর কিছুতেই গেল না।
৯.৪ লাফেই দুই তুমি তাহলে পালাবে তো -> তাহলে তুমি তো দুই লাফেই পালাবে।
৯.৫ সারারাত সারা করে ছুটোছুটি এমনি করে এল -> এমনি করে সারারাত ছুটোছুটি করে সারা হলো।
১০. বাক্যরচনা করো:
- মস্ত: দিঘার সমুদ্র সৈকতে এক মস্ত বড় ঢেউ উঠল।
- জন্তু: চিড়িয়াখানায় আমরা অনেক রকমের বন্য জন্তু দেখলাম।
- চমৎকার: মেয়েটি আজ খুব চমৎকার গান গাইল।
- বুদ্ধিমান: বিপদের সময় বুদ্ধিমান লোকেরা মাথা ঠান্ডা রাখে।
- নিমন্ত্রণ: আজ রাতে আমাদের পাশের বাড়িতে খাওয়ার নিমন্ত্রণ আছে।
১১. এলোমেলো ঘটনাগুলিকে সাজিয়ে লেখো:
(গল্পের ঘটনার সঠিক ক্রম নিচে দেওয়া হলো)
১. সেদিন রাতে একটি গর্তের ভিতরে একটি ছাগলছানা থাকল।
২. সেই গর্তটি ছিল এক শিয়ালের।
৩. শিয়াল ফিরে এসে গর্তের ভিতরে কে ঢুকেছে তা জানতে চাইল।
৪. ছাগলছানাটি ভারি বুদ্ধিমান ছিল, সে বলল, ‘পঞ্চাশ বাঘে মোর এক-এক গ্রাস!’
৫. একথা শুনে দাঁড়ি তাকে নিয়ে বনে গেল। (দ্রষ্টব্য: এই লাইনটি ঘটনার শুরুতে ঘটার কথা, কিন্তু সাজানো ক্রমে শিয়ালের পালিয়ে যাওয়ার আগের ঘটনা হিসেবে দেওয়া হলো)
৬. বাঘ তো শিয়ালকে বেশ করে লেজের সঙ্গে বেঁধে নিয়েছে।
৭. শিয়াল গেল বাঘের কাছে নালিশ জানাতে।
৮. ছাগলছানা বলল— ‘দূর হতভাগা! তোকে দিলুম দশ বাঘের কড়ি এক বাঘ নিয়ে এলি লেজে দিয়ে দড়ি!’
৯. সকালে ছাগলছানা বাড়ি ফিরে এল।
১২. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর লেখো:
১২.১ এই গল্পে কাকে তোমার বুদ্ধিমান বলে মনে হয়েছে? তোমার এমন মনে হওয়ার কারণ কী?
উত্তর: এই গল্পে আমার ছাগলছানাটিকে সবথেকে বেশি বুদ্ধিমান বলে মনে হয়েছে।
কারণ: ছোট্ট ছাগলছানাটি বাঘ বা শিয়ালের মতো শক্তিশালী না হলেও, সে ভয় না পেয়ে বুদ্ধির জোরে নিজেকে ‘নরহরি দাস’ সাজিয়ে তাদের বোকা বানিয়েছে এবং নিজের প্রাণ বাঁচিয়েছে।
১২.২ ‘বুদ্ধি যার বল তার’— এই কথাটার সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে এই গল্পে। এরকম অন্য কোনো গল্প তোমার জানা থাকলে লেখো।
উত্তর: হ্যাঁ, কথাটি একদম সত্যি। এরকম আরেকটি গল্প হলো ‘কাঁকড়া ও বক’-এর গল্প বা ‘শিয়াল ও কুমির’-এর গল্প, যেখানে বুদ্ধি ব্যবহার করে দুর্বল প্রাণীও শক্তিশালীকে হারিয়ে দেয়।
১৩. গল্প থেকে অন্তত পাঁচটি সর্বনাম খুঁজে নিয়ে লেখো:
উত্তর: আমি, তুমি, সে, তার, তাকে।
১৪. কারণ কী লেখো:
১৪.১ ছাগলছানা গর্তের বাইরে যেতে পেত না।
কারণ: তার মা তাকে বারণ করত এবং বলত বাইরে গেলে ভালুক ধরবে, বাঘে নিয়ে যাবে বা সিংহ খেয়ে ফেলবে।
১৪.২ ষাঁড় এসে বলল, ‘এখন চলো বাড়ি যাই’।
কারণ: সন্ধ্যা হয়ে আসছিল তাই ষাঁড় বাড়ি ফিরতে চাইছিল।
১৪.৩ সে (শিয়াল) ভাবল বুঝি রাক্ষস-টাক্ষস হবে।
কারণ: গর্তের ভিতর থেকে ছাগলছানার অদ্ভুত উত্তর শুনে এবং অন্ধকারের জন্য তাকে দেখতে না পেয়ে শিয়াল এমন ভেবেছিল।
১৪.৪ ‘বাবা গো!’ বলে সেখান থেকে (শিয়ালের) দে ছুট!
কারণ: ছাগলছানা যখন বলল সে পঞ্চাশটা বাঘ এক এক গ্রাসে খায়, তখন শিয়াল ভয়ে প্রাণ বাঁচাতে ছুট দিল।
১৪.৫ বাঘ ভয়ানক রেগে বললে, ‘বটে, তার এত বড়ো আস্পর্ধা!’
কারণ: বাঘ যখন শুনল যে শিয়ালের গর্তে এক নরহরি দাস এসেছে যে নিজেকে সিংহের মামা বলে দাবি করে, তখন বাঘ খুব রেগে গিয়েছিল।
১৫. নীচের বাক্যগুলিতে কোন কোন ভাব প্রকাশ পেয়েছে তা লেখো:
(বিস্ময়/ ইচ্ছা / প্রশ্ন / বিবেক / উপদেশ / পরামর্শ বা নির্দেশ / ভয়)
১৫.১ হ্যাঁগা, তুমি কী খাও?
উত্তর: প্রশ্ন
১৫.২ আমাকে সেখানে নিয়ে যেতে হবে।
উত্তর: ইচ্ছা / আবদার
১৫.৩ যাসনে! ভালুকে ধরবে, বাঘে নিয়ে যাবে, সিংহে খেয়ে ফেলবে!
উত্তর: ভয় / উপদেশ
১৫.৪ এখন চলো বাড়ি যাই।
উত্তর: পরামর্শ বা নির্দেশ
১৫.৫ শুনেই তো শিয়াল, ‘বাবা গো!’ বলে সেখান থেকে দে ছুট।
উত্তর: ভয়
১৫.৬ ‘কী ভাগ্নে, এই গেলে, আবার এখুনি এত ব্যস্ত হয়ে ফিরলে যে?’
উত্তর: বিস্ময় / প্রশ্ন
১৬. গল্পটিতে কে কোন সময়ে কী করছিল তা লেখো:
- ছাগলছানা: প্রথমে গর্তে ছিল, পরে ষাঁড়ের সাথে বনে গেল, শেষে শিয়ালের গর্তে আশ্রয় নিয়ে বুদ্ধি খাটিয়ে শিয়াল ও বাঘকে তাড়াল।
- ষাঁড়: বনে ঘাস খাচ্ছিল এবং ছাগলছানাকে বনে নিয়ে গিয়েছিল।
- শিয়াল: মামা বাঘের বাড়ি নিমন্ত্রণ খেতে গিয়েছিল, ফিরে এসে গর্তে জন্তু দেখে বাঘের কাছে নালিশ করতে গেল।
- বাঘ: শিয়ালের নালিশ শুনে লেজ বেঁধে শিয়ালের গর্ত দেখতে এল এবং শেষে ভয়ে পালিয়ে গেল।
১৭. শক্তি, বুদ্ধি ও কাজের বিচারে বাঘ, শিয়াল ও ছাগলছানার আচরণ কেমন তা লেখো।
উত্তর:
- বাঘ: বাঘের গায়ে অনেক শক্তি থাকলেও বুদ্ধিতে সে একদম বোকা। সে সহজেই ছাগলছানার কথায় ভয় পেয়ে গেল।
- শিয়াল: শিয়াল সাধারণত চালাক হয়, কিন্তু এখানে সে ভীতু ও বোকা প্রমাণিত হয়েছে। সে নিজের গর্তের জন্তুকেই চিনতে পারেনি।
- ছাগলছানা: ছাগলছানা শরীরের শক্তিতে ছোট হলেও বুদ্ধিতে সবার সেরা। সে তার উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে বাঘ ও শিয়াল দুজনকেই হারিয়ে দিয়েছে।
১৯. নীচের শব্দগুলির বিপরীতার্থক শব্দ লেখো:
- মস্ত – ক্ষুদ্র
- বাইরে – ভিতরে
- লম্বা – বেঁটে
- ব্যস্ত – স্থির
- নিশ্বাস – প্রশ্বাস
- সর্বনাশ – মঙ্গল
- দূর – নিকট
২২. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো:
২২.১ ছাগলছানার মা তাকে কীভাবে সাবধান করত? তার ভয় কাটল কীভাবে?
উত্তর: ছাগলছানার মা তাকে বলত গর্তের বাইরে না যেতে। বাইরে গেলে ভালুক ধরবে, বাঘে নিয়ে যাবে বা সিংহে খেয়ে ফেলবে—এভাবেই মা সাবধান করত।
ছাগলছানা যখন একটু বড় হলো, তার ভয়ও কমে গেল। সে তখন মায়ের আড়ালে উঁকি মেরে বাইরেটা দেখত, এভাবেই তার ভয় কেটে গেল।
২২.২ বনে সন্ধে হয়ে এলে সেখানে কোন পরিস্থিতি তৈরি হলো?
উত্তর: বনে সন্ধে হয়ে এলে ষাঁড় ছাগলছানাকে বাড়ি ফেরার কথা বলল। কিন্তু ছাগলছানা এত বেশি ঘাস খেয়েছিল যে সে নড়তে পারছিল না। তাই সে বাড়ি না ফিরে একটি গর্তে (শিয়ালের গর্তে) আশ্রয় নিল।
২২.৩ ছাগলছানাকে শিয়াল ভয় পেল কেন?
উত্তর: ছাগলছানা শিয়ালকে নিজের পরিচয় দিয়েছিল ‘নরহরি দাস’ হিসেবে। সে বলেছিল তার লম্বা লম্বা দাড়ি, ঘন ঘন নাড়ি এবং সে সিংহের মামা, আর পঞ্চাশ বাঘে তার এক গ্রাস হয়। এই ভয়ংকর বর্ণনা শুনে শিয়াল ভয় পেল।
২২.৪ বাঘের উপর শিয়ালের রাগ হওয়ার কারণ লেখো।
উত্তর: শিয়াল ভেবেছিল বাঘ তাকে বাঁচাবে। কিন্তু ছাগলছানার চালাকির কথা শুনে বাঘ যখন ভয় পেয়ে ছুট দিল, তখন বাঘের লেজের সাথে বাঁধা শিয়াল পাথরে-কাঁটায় আছাড় খেয়ে ক্ষতবিক্ষত হলো। বাঘ তাকে ফেলে পালিয়ে যাওয়ায় শিয়ালের খুব রাগ হলো।
২৩. ছবির সঙ্গে মানানসই বাক্য লিখে গল্পটি সম্পূর্ণ করো:
১. পাহাড়ের নিচে গর্তে একটা ছাগলছানা তার মায়ের সাথে থাকত।
২. পাশের বনে একটি ষাঁড় ও ছাগলছানা মনের আনন্দে ঘাস খাচ্ছে।
৩. ছাগলছানাটি একটি গর্তের ভিতর উঁকি দিচ্ছে বা ঢুকছে।
৪. শিয়াল গর্তের সামনে এসে অবাক হয়ে দেখছে।
৫. শিয়াল বাঘের কাছে গিয়ে নালিশ জানাচ্ছে।
৬. বাঘ ও শিয়াল লেজ বেঁধে গর্তের দিকে আসছে।
৭. বাঘ ভয়ে লেজ গুটিয়ে পালাচ্ছে আর শিয়াল তার পিছনে হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে যাচ্ছে।
৮. সকালবেলা ছাগলছানা হাসিমুখে বাড়ি ফিরে আসছে।
[Authored by Nabiul Hasan]
